শেরপুরে জেলা পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলীকে এক নারীসহ পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে শেরপুর শহরের নবীনগর এলাকায় পাসপোর্ট অফিসের তৃতীয় তলায় অবস্থিত তার আবাসিক ভবন থেকে তাদের হেফাজতে নেওয়া হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সোহেল রানা।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে পাসপোর্ট অফিসের ভেতরে সহকারী পরিচালকের বাসভবনে এক নারীকে প্রবেশ করতে দেখা যায়। বিষয়টি সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন।
পরে শেরপুর সদর থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলী ও ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়। ওই ভবনের একটি টেবিলে খালি মদের বোতল পাওয়া গেছে বলেও স্থানীয়রা দাবি করেছেন।
তবে ওই নারী নিজেকে অবিবাহিত দাবি করে জানান, রুস্তম আলী তার দুঃসম্পর্কের দুলাভাই। তিনি বেড়াতে এসেছিলেন। তবে গভীর রাতে দুজন একই কক্ষে কেন ছিলেন, সে বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিতে পারেননি।
অন্যদিকে রুস্তম আলীর দাবি, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই নারী আত্মীয় হিসেবে তার বাসায় প্রবেশ করেন। বিষয়টি কয়েকজন দেখতে পাওয়ার পর পরে কয়েকজন ব্যক্তি সেখানে ঢুকে ওই নারীকে ‘দুই নম্বর’ আখ্যা দিয়ে তার কাছে পাঁচ লাখ টাকা দাবি করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
শেরপুর সদর থানার ওসি মো. সোহেল রানা বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে তথ্য যাচাই ও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সহকারী পরিচালক ও ওই নারীকে থানায় নেওয়া হয়।
ওসি জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, ওই নারী সহকারী পরিচালক মো. রুস্তম আলীর দুঃসম্পর্কের শালি। তার বাড়ি কুষ্টিয়ার মিরপুর এলাকায়। প্রাথমিকভাবে তার নাম ওজিলা বলে জানা গেছে।
তিনি আরও বলেন, পাসপোর্ট অফিসের মতো একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে গভীর রাতে লোকজনের উপস্থিতি দেখতে পাওয়ায় নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের রাত আড়াইটার দিকে থানা হেফাজতে নেওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ ও তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Reporter Name 





















