
নড়াইল প্রতিনিধি:
নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে ছয়টি মেহগনি গাছ কেটে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় একই গ্রামের সুভাষ চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন মামলার বাদী বিবেকানন্দ দাস।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ৯৬ নম্বর কচুবাড়িয়া মৌজার এসএ খতিয়ান নং ৫১৪, ৫৪৩ ও ৫৬১ এবং সংশ্লিষ্ট দাগের মোট ৩১ শতাংশ জমি পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে রয়েছেন বলে দাবি করেন বিবেকানন্দ দাস। তিনি জানান, ওই জমিতে প্রায় ১০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের বসতবাড়ি ও বাগান রয়েছে এবং আরএস রেকর্ডেও জমি তার নামে খতিয়ানভুক্ত।
বিবেকানন্দ দাসের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সুভাষ চন্দ্র দাস দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর ধরে বিভিন্নভাবে হয়রানি করে আসছেন। এ কারণে তিনি ২০০৯ সালে নড়াইল আদালতে একটি দেওয়ানি মামলা (নং-৯৪/০৯) দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে। মামলার প্রেক্ষিতে আদালত বিরোধপূর্ণ জমিতে উভয় পক্ষকে স্থিতাবস্থা বজায় রাখার নির্দেশ দেন বলে তিনি দাবি করেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল ৮টার দিকে আদালতের ওই নির্দেশ অমান্য করে সুভাষ চন্দ্র দাস বিরোধপূর্ণ জমিতে থাকা ছয়টি মেহগনি গাছ কেটে ফেলেন। বাধা দিতে গেলে বিবেকানন্দ দাসকে মারধরের চেষ্টা করা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। পরে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে গাছ কাটা বন্ধ করে অভিযুক্তরা সেখান থেকে চলে যান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সুভাষ চন্দ্র দাস বলেন, জমি-সংক্রান্ত মামলার বিষয়টি তার জানা নেই এবং আদালতের কোনো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি না, সেটিও তিনি অবগত নন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
Reporter Name 

























