Dhaka ০৮:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
সুনামগঞ্জে বাণিজ্য মেলা-২০২৬-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও দোয়া মাহফিল দেশের বাজারে বাড়ল স্বর্ণের দাম রাষ্ট্র পুনর্গঠনে আলেমদের সম্পৃক্ত করতে হবে: চরমোনাই পীর তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে শফিকুর রহমানের বৈঠক রিয়াদ বিমানবন্দরে হুথিদের হামলায় পাইলটসহ সৌদির ৩ নাগরিক নিহত সন্ধ্যার মধ্যে ৪ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা কুমিল্লায় কিশোরীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মূল আসামি আটক রাজশাহীতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান তাহিরপুরে কলেজছাত্রীকে কক্ষে আটকে যৌন হয়রানির অভিযোগ, বিচার নিয়ে কালক্ষেপণ মাগুরায় ২৮ হাজার পিস ইয়াবা ও ১৯ লাখ ৫৮ হাজার টাকা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল; ২০ ঘন্টা ধরে অনশনে শিক্ষার্থীরা

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাবি প্রতিনিধি:  রাবিতে পোষ্য কোটা,২০ ঘন্টা ধরে অনশনে শিক্ষার্থীরা, হাসপাতালে ২।  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শর্তসাপেক্ষে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে গতকাল বিকাল থেকে আমরণ অনশন করছে কয়েকজন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জোহা চত্বরে এই অনশন করছেন তারা। ১৯ ঘন্টা পার হলেও তারা বসে আছেন সেখানে।

অনশনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পরেন দুজন শিক্ষার্থী। তারা হলেন সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের ইস্পাহানি ও আরবি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রমজানুল মোবারক।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও তাদেরকে অনশন করতে দেখা যায়। গতকাল বিকাল ৫টায় প্রথম এককভাবে অনশনে বসেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম। এরপর তার সাথে একত্বতা পোষণ করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এ সময় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন, আমরা গতকাল রাত থেকে বসে আছি, রোদে পুড়ছি, বৃষ্টিতে ভিজছি, মশার কামর খাচ্ছি। আমাদের শরীরের অবস্থা কি? তাও কেও আমাদের দেখতে আসেনি। অনেকে স্লোগান দিয়েছিলো রক্ত লাগলে রক্ত নে, পোষ্য কোটার কবর দে। তাদের রক্ত দেওয়া শেষ। আমাদের এখনো রক্ত দেওয়া শেষ হয়নি, আমরা আছি। যতক্ষণ নাকে সমাধান হবে আমরা আছি। আমাদের কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না, এখনো নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এখানে আছি এবং থাকবো।

সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমার ভাইয়েরা গতকাল থেকে বৃষ্টিতে ঘুরছে, রোদে পুড়ছে, মশার কামড় খাচ্ছে তাদেরকে দেখার মত কেউ নাই। আমি বলতে চাই প্রশাসনের নামেই প্রহসন আর কতদিন? আমরা যেখানে ৬০-৬৫ পেয়ে ভর্তি হতে পারি না সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকতা কর্মচারীদের সন্তানেরা নাম মাত্র পাশ নাম্বার পেয়ে কিভাবে ভর্তি হয়?

তিনি আরও বলেন, তারা তাদের সন্তানদেরকে কেন এতটা ইনসিকিউর? তাদের কি তাদের সন্তানদের প্রতি আত্মবিশ্বাস নাই যে তারা যোগ্যতায় ভর্তি হবে। এইভাবে ভিক্ষাবৃত্তি আর কতদিন? এখানে যারা আছে সবাই তার মায়েদের কলিজার টুকরা। তারা যে এভাবে নির্যাতিত হচ্ছে এগুলো দেখার কি কেউ নেই?

আরও পড়ুনঃ  দেনমোহর না দিয়ে স্ত্রীকে আদালতে যেতে বাধ্য করলে ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিতে পারবেন পারিবারিক আদালত

বেলা একটার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম কনককে। তিনি বলেন, আমি মূলত ছাত্রদের খোঁজখবর নিতে এখানে এসেছি। তাদের সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, তারা খুব কষ্টের মধ্যে আছে। তাই আমি নিজেও তাদের সঙ্গে অনশনে যোগ দিয়েছি। ইতিমধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে, আমরা তাদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে পাঠিয়েছি।

 

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

সুনামগঞ্জে বাণিজ্য মেলা-২০২৬-এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও দোয়া মাহফিল

রাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহাল; ২০ ঘন্টা ধরে অনশনে শিক্ষার্থীরা

সময়: ০৭:২৮:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

রাবি প্রতিনিধি:  রাবিতে পোষ্য কোটা,২০ ঘন্টা ধরে অনশনে শিক্ষার্থীরা, হাসপাতালে ২।  রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) শর্তসাপেক্ষে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে গতকাল বিকাল থেকে আমরণ অনশন করছে কয়েকজন শিক্ষার্থী। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে জোহা চত্বরে এই অনশন করছেন তারা। ১৯ ঘন্টা পার হলেও তারা বসে আছেন সেখানে।

অনশনরত অবস্থায় অসুস্থ হয়ে পরেন দুজন শিক্ষার্থী। তারা হলেন সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের ইস্পাহানি ও আরবি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী রমজানুল মোবারক।

শনিবার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে তুমুল বৃষ্টির মধ্যেও তাদেরকে অনশন করতে দেখা যায়। গতকাল বিকাল ৫টায় প্রথম এককভাবে অনশনে বসেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসাদুল ইসলাম। এরপর তার সাথে একত্বতা পোষণ করেন কয়েকজন শিক্ষার্থী।

এ সময় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন, আমরা গতকাল রাত থেকে বসে আছি, রোদে পুড়ছি, বৃষ্টিতে ভিজছি, মশার কামর খাচ্ছি। আমাদের শরীরের অবস্থা কি? তাও কেও আমাদের দেখতে আসেনি। অনেকে স্লোগান দিয়েছিলো রক্ত লাগলে রক্ত নে, পোষ্য কোটার কবর দে। তাদের রক্ত দেওয়া শেষ। আমাদের এখনো রক্ত দেওয়া শেষ হয়নি, আমরা আছি। যতক্ষণ নাকে সমাধান হবে আমরা আছি। আমাদের কোন রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ছিল না, এখনো নেই। একজন সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এখানে আছি এবং থাকবো।

সমাজকর্ম বিভাগের ২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থী সানজিদা বলেন, আমার ভাইয়েরা গতকাল থেকে বৃষ্টিতে ঘুরছে, রোদে পুড়ছে, মশার কামড় খাচ্ছে তাদেরকে দেখার মত কেউ নাই। আমি বলতে চাই প্রশাসনের নামেই প্রহসন আর কতদিন? আমরা যেখানে ৬০-৬৫ পেয়ে ভর্তি হতে পারি না সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কর্মকতা কর্মচারীদের সন্তানেরা নাম মাত্র পাশ নাম্বার পেয়ে কিভাবে ভর্তি হয়?

তিনি আরও বলেন, তারা তাদের সন্তানদেরকে কেন এতটা ইনসিকিউর? তাদের কি তাদের সন্তানদের প্রতি আত্মবিশ্বাস নাই যে তারা যোগ্যতায় ভর্তি হবে। এইভাবে ভিক্ষাবৃত্তি আর কতদিন? এখানে যারা আছে সবাই তার মায়েদের কলিজার টুকরা। তারা যে এভাবে নির্যাতিত হচ্ছে এগুলো দেখার কি কেউ নেই?

আরও পড়ুনঃ  তুরস্কের পার্লামেন্টের স্পিকারের সঙ্গে শফিকুর রহমানের বৈঠক

বেলা একটার দিকে অনশনরত শিক্ষার্থীদের কাছে দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা আমিরুল ইসলাম কনককে। তিনি বলেন, আমি মূলত ছাত্রদের খোঁজখবর নিতে এখানে এসেছি। তাদের সাথে কথা বলে বুঝতে পেরেছি, তারা খুব কষ্টের মধ্যে আছে। তাই আমি নিজেও তাদের সঙ্গে অনশনে যোগ দিয়েছি। ইতিমধ্যে কয়েকজন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েছে, আমরা তাদের চিকিৎসার জন্য মেডিকেলে পাঠিয়েছি।