Dhaka ০১:২৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
বগুড়ায় ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার বকশীগঞ্জে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা ও দোয়া গাইবান্ধায় এসপির বাংলোতে পুলিশ কনস্টেবলের আ*ত্ম*হত্যা বোয়ালমারীতে গ্রাম পুলিশের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গার গাছ কেটে বিক্রির অভিযোগ কুড়িগ্রামে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত মধ্যনগরে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে রূপনগর গ্রামবাসীর র‍্যালি ও দোয়া মাহফিল ভোলাহাটে গভীর রাতে ডিপের তিন ট্রান্সফর্মার চুরি সুনামগঞ্জের ব্যবসায়ীদের নির্ভয়ে ব্যবসা করার আহ্বান এমপি নূরুলের দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মডেল মসজিদ ও বেইলি ব্রিজের উদ্বোধন কালিয়াকৈরে মহাসমারোহে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) পালিত, বর্ণাঢ্য জশনে জুলুস
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৬:১৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৬ Time View

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী


নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ,অবশ্যই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ পাকের রাসুল।(সুরা আলে ইমরান-১৪৪) আল্লাহ আমাদের জন্য তথা সারা আলমের জন্য তার হাবিব মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সবচেয়ে বড় উছিলা বানিয়েছেন। আল্লাহ পাক তার হাবিবকে কেন্দ্রীয় অবস্থানে রেখে সারা আলমের সব আয়োজনকে সুসম্পন্ন করেছেন।

হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একাধারে আবির্ভাব ও তিরোধান সারা আলমের জন্য আল্লাহ পাকের রহমত এবং ফজল ও করমস্বরূপ। সারা বিশ্বে আল্লাহ পাকের হাবিব হুজুর পাক সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জাত পাক, সিরাত সুরাতকে গুরুত্ব সহকারে পালন করে আসছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ইমামগণ।

কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস মোতাবেক এই আনুষ্ঠানিকতা সুন্নতে উম্মত মুস্তাহসান। এর উছিলায় বিশ্ব মুসলিম নানাভাবে আল্লাহ ও তার রাসুলের সন্তুষ্টি-রেজামন্দি হাসিলের সুযোগ পায়। আল্লাহ পাক বলেন, আপনার প্রতিপালকের নিয়ামত বর্ণনা করুন (সুরা দোহা-১১)।

অন্য আয়াত শরিফে আল্লাহ পাক বলেন, আপনি বলে দিন আল্লাহ পাকের ফজল ও রহমতের জন্য তারা যেন আনন্দ প্রকাশ করে (সুরা ইউনূস-৫৮)। এখানে আল্লাহর রহমত মূলত তার হাবিব সাইয়িদ্যুত হজরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কেননা আল্লাহ পাক বলেন, আমি আপনাকে সারা জাহানের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছি (সুরা আম্বিয়া-১০৭)। ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আয়োজন, আনুষ্ঠানিকতা কেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মাশায়েখগণ মহব্বতের সঙ্গে করে থাকেন তা গভীরভাবে উপলব্ধি করার জন্য নিম্নে বর্ণিত দ্বীন-ইসলামের মহান বুজুর্গগণের কওল সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য।

হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মিলাদ শরিফ পাঠ (মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকেন (সুবানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। হজরত উমর (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বেলাদত দিবসকে) বিশেষ মর্যাদা দিল সে মূলত ইসলামকেই পুনরুজ্জীবিত করল (সুবহানাল্লাহ) (আন নেয়মাতুল কুবরা)।

আরও পড়ুনঃ  গ্যাসের চাহিদা মেটাতে কোরিয়া ও যুক্তরাজ্য থেকে ২ কার্গো এলএনজি আনছে সরকার

হজরত ওসমান (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে এক দিরহাম খরচ করল, সে যেন বদর ও হুনায়েন যুদ্ধে শরিক থাকল (সুবহানাল্লাহ) (আন নেয়মাতুল কুবরা)। হজরত আলী (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি বিশেষ মর্যাদা প্রদান করলেন, সে ব্যক্তি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে এবং বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

ইমাম হাসান বসরি (র.) বলেন, আমার একান্ত ইচ্ছা হয় যে, আমার যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ সম্পদ থাকত, তাহলে তা ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ব্যয় করতাম (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। সাইয়িদ্যূত ত্বিফা হজরত জুনাইদ বোগদাদি (র.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আয়োজনে উপস্থিত হলো এবং উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করল। সে তার ঈমানের দ্বারা সাফল্য লাভ করবে অর্থাৎ সে বেহেশতি হবে (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)।

হজরত মারুফ কারখি (র.) বলেন, যে ব্যক্তি ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খাদ্যের আয়োজন করে, অতঃপর লোকজনকে জমা করে, মজলিশে আলোর ব্যবস্থা করে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নতুন লেবাস পরিধান করে, মিলাদুন্নবীর তাজিমার্থে সুঘ্রাণ ও সুগন্ধি ব্যবহার করে। আল্লাহ পাক তাকে নবী (আ.) গণের প্রথম কাতারে হাশর করাবেন এবং সে জান্নাতের সুউচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত হবেন (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)।

ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী (র.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদ শরিফ পাঠ করে বা মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে, লবণ, গম বা অন্য কোনো খাদ্যদ্রব্যের ওপর ফুঁক দেয়, তাহলে এই খাদ্যদ্রব্য অবশ্যই বরকত প্রকাশ পাবে। এভাবে যেকোনো কিছুর ওপরই পাঠ করুন না কেন। (তাতে বরকত হবেই) (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা যেন বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী সা. উদযাপন করার তাওফিক দান করেন আমিন।

আরও পড়ুনঃ  এআই ব্যবহারে আরও দক্ষ হবে সরকার, সহজ হবে নাগরিক সেবা

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট। সাবেক ইমাম ও খতীব: সিলেট নগরীর কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ রহ. মাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সিলেট। সাবেক প্রিন্সিপাল: হযরত শাহজালাল রহ. ৩৬০ আউলিয়া লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা উপশহর সিলেট। সাবেক প্রধান শিক্ষক: হযরত শাহজালাল রহ. লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ সুরমা সিলেট।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

বগুড়ায় ১২০০ পিস ইয়াবাসহ ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ

সময়: ০৬:১৪:৫০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬

হাফিজ মাছুম আহমদ দুধরচকী


নাহমাদুহু ওয়া নুসাল্লি আলা রাসূলিহিল কারীম, আম্মা বা’দ রাসূল (সা.)সারা জাহানের জন্য রহমত স্বরূপ,অবশ্যই মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহ পাকের রাসুল।(সুরা আলে ইমরান-১৪৪) আল্লাহ আমাদের জন্য তথা সারা আলমের জন্য তার হাবিব মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সবচেয়ে বড় উছিলা বানিয়েছেন। আল্লাহ পাক তার হাবিবকে কেন্দ্রীয় অবস্থানে রেখে সারা আলমের সব আয়োজনকে সুসম্পন্ন করেছেন।

হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একাধারে আবির্ভাব ও তিরোধান সারা আলমের জন্য আল্লাহ পাকের রহমত এবং ফজল ও করমস্বরূপ। সারা বিশ্বে আল্লাহ পাকের হাবিব হুজুর পাক সাল্লালাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জাত পাক, সিরাত সুরাতকে গুরুত্ব সহকারে পালন করে আসছেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ইমামগণ।

কোরআন, সুন্নাহ, ইজমা, কিয়াস মোতাবেক এই আনুষ্ঠানিকতা সুন্নতে উম্মত মুস্তাহসান। এর উছিলায় বিশ্ব মুসলিম নানাভাবে আল্লাহ ও তার রাসুলের সন্তুষ্টি-রেজামন্দি হাসিলের সুযোগ পায়। আল্লাহ পাক বলেন, আপনার প্রতিপালকের নিয়ামত বর্ণনা করুন (সুরা দোহা-১১)।

অন্য আয়াত শরিফে আল্লাহ পাক বলেন, আপনি বলে দিন আল্লাহ পাকের ফজল ও রহমতের জন্য তারা যেন আনন্দ প্রকাশ করে (সুরা ইউনূস-৫৮)। এখানে আল্লাহর রহমত মূলত তার হাবিব সাইয়িদ্যুত হজরত মুহম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। কেননা আল্লাহ পাক বলেন, আমি আপনাকে সারা জাহানের জন্য রহমতস্বরূপ পাঠিয়েছি (সুরা আম্বিয়া-১০৭)। ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আয়োজন, আনুষ্ঠানিকতা কেন আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মাশায়েখগণ মহব্বতের সঙ্গে করে থাকেন তা গভীরভাবে উপলব্ধি করার জন্য নিম্নে বর্ণিত দ্বীন-ইসলামের মহান বুজুর্গগণের কওল সর্বশেষ উল্লেখযোগ্য।

হজরত আবু বকর সিদ্দিক (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি হুজুর পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর মিলাদ শরিফ পাঠ (মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) উপলক্ষে এক দিরহাম ব্যয় করবে সে জান্নাতে আমার বন্ধু হয়ে থাকেন (সুবানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। হজরত উমর (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে (বেলাদত দিবসকে) বিশেষ মর্যাদা দিল সে মূলত ইসলামকেই পুনরুজ্জীবিত করল (সুবহানাল্লাহ) (আন নেয়মাতুল কুবরা)।

আরও পড়ুনঃ  ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা পাচ্ছে এপিবিএন

হজরত ওসমান (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে এক দিরহাম খরচ করল, সে যেন বদর ও হুনায়েন যুদ্ধে শরিক থাকল (সুবহানাল্লাহ) (আন নেয়মাতুল কুবরা)। হজরত আলী (রা.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর প্রতি বিশেষ মর্যাদা প্রদান করলেন, সে ব্যক্তি অবশ্যই ঈমান নিয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় নেবে এবং বিনা হিসেবে জান্নাতে প্রবেশ করবে।

ইমাম হাসান বসরি (র.) বলেন, আমার একান্ত ইচ্ছা হয় যে, আমার যদি ওহুদ পাহাড় পরিমাণ সম্পদ থাকত, তাহলে তা ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে ব্যয় করতাম (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। সাইয়িদ্যূত ত্বিফা হজরত জুনাইদ বোগদাদি (র.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর আয়োজনে উপস্থিত হলো এবং উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করল। সে তার ঈমানের দ্বারা সাফল্য লাভ করবে অর্থাৎ সে বেহেশতি হবে (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)।

হজরত মারুফ কারখি (র.) বলেন, যে ব্যক্তি ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উপলক্ষে খাদ্যের আয়োজন করে, অতঃপর লোকজনকে জমা করে, মজলিশে আলোর ব্যবস্থা করে, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন নতুন লেবাস পরিধান করে, মিলাদুন্নবীর তাজিমার্থে সুঘ্রাণ ও সুগন্ধি ব্যবহার করে। আল্লাহ পাক তাকে নবী (আ.) গণের প্রথম কাতারে হাশর করাবেন এবং সে জান্নাতের সুউচ্চ মাকামে অধিষ্ঠিত হবেন (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)।

ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী (র.) বলেন, যে ব্যক্তি মিলাদ শরিফ পাঠ করে বা মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উদযাপন করে, লবণ, গম বা অন্য কোনো খাদ্যদ্রব্যের ওপর ফুঁক দেয়, তাহলে এই খাদ্যদ্রব্য অবশ্যই বরকত প্রকাশ পাবে। এভাবে যেকোনো কিছুর ওপরই পাঠ করুন না কেন। (তাতে বরকত হবেই) (সুবাহানাল্লাহ) (আন নেয়ামাতুল কুবরা)। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ’লা যেন বিশ্বের মুসলিম উম্মাহকে পবিত্র ঈদে মিলাদুন নবী সা. উদযাপন করার তাওফিক দান করেন আমিন।

আরও পড়ুনঃ  ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু অর্ধেকে নামিয়ে আনার লক্ষ্য

লেখক: প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: জকিগঞ্জ উপজেলা সচেতন নাগরিক ফোরাম সিলেট। সাবেক ইমাম ও খতীব: সিলেট নগরীর কদমতলী হযরত দরিয়া শাহ রহ. মাজার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সিলেট। সাবেক প্রিন্সিপাল: হযরত শাহজালাল রহ. ৩৬০ আউলিয়া লতিফিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসা উপশহর সিলেট। সাবেক প্রধান শিক্ষক: হযরত শাহজালাল রহ. লতিফিয়া দাখিল মাদ্রাসা দক্ষিণ সুরমা সিলেট।