
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: শফিকুল ইসলাম শফিক
ভার্চুয়াল জগতের বন্ধুত্ব বাস্তবে বিয়ে পর্যন্ত। সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার এক তরুণীর সঙ্গে চীনের এক যুবকের বিয়ে ঘিরে এখন তোলপাড় চলছে দুই উপজেলায়।
প্রেমের শুরুটা হয়েছিল ফেসবুকে। দুই মাসের চ্যাট আর ভিডিও কলে মন দেওয়া-নেওয়া। এরপর দুই পরিবারের আলোচনা। শেষে ধর্ম বদলে, নাম বদলে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন চীনা যুবক।
ধর্মপাশার পাইকুরাটি ইউনিয়নের ভাটগাঁও গ্রামের মেয়ে নাজমিন আক্তার লিজা। তিনি এখন নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ সরকারি কলেজের অনার্স ২য় বর্ষের ছাত্রী। পরিবার নিয়ে থাকেন মোহনগঞ্জ পৌর শহরের হাসপাতাল রোডের ভাড়া বাসায়।
প্রায় দুই মাস আগে ফেসবুকে পরিচয় হয় চীনের লুবেই প্রদেশের লুরাং শহরের বাসিন্দা ওয়্যাং সুলিনের সঙ্গে বয়স ৩০ ।
ইসলাম গ্রহণ করে নতুন নাম
পারিবারিক সম্মতির পর গত ১৮ জুলাই বাংলাদেশে আসেন ওয়্যাং সুলিন। এর ৩ দিন পর ২১ জুলাই তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। নতুন নাম রাখা হয় মো. নুর উদ্দিন।
একই দিন একজন আইনজীবীর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে লিজা ও নুর উদ্দিনের বিয়ে সম্পন্ন হয়।
আগামী শুক্রবার মোহনগঞ্জের হাসপাতাল রোডের বাসায় আত্মীয়-স্বজন ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে বিয়ের মূল আয়োজন করা হবে।
লিজার বাবা মো. নাজিম উদ্দিন বলেন, “চীনা দূতাবাস এবং ছেলের পরিবারের সাথে কথা বলে সব খোঁজখবর নিয়েই আমরা রাজি হয়েছি। বিয়ের পর নুর উদ্দিন দেশে ফিরে সব কাগজপত্র ঠিক করে লিজাকে চীনে নিয়ে যাবেন।”
বিদেশি জামাই পেয়ে মোহনগঞ্জে এখন উৎসবের আমেজ। ধর্মপাশাতেও চলছে আলোচনা। প্রতিদিন অনেকেই নুর উদ্দিনকে এক নজর দেখতে এবং তার সাথে সেলফি তুলতে ভিড় করছেন।
ফেসবুকের একটা মেসেজ থেকে শুরু হয়ে শেষ পর্যন্ত দুই দেশের দুই প্রান্তের মানুষ এক হলেন।
Reporter Name 























