ইসমাইল আশরাফ,
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
বিভিন্ন সময়ে রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর বিনা টিকিটে ভ্রমণকারী সংঘবদ্ধ চক্রের সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে রেলওয়ের লালমনিরহাট বিভাগীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সোমবার সকালে রেলওয়ের বিভাগীয় ব্যবস্থাপকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে ঘণ্টাব্যাপী এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা জানান, রাজশাহী রুটে চলাচলকারী বিভিন্ন আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেনসমূহে বিনা টিকিটের কিছু যাত্রী (সিন্ডিকেট) যারা এসি শ্রেণির কোচের করিডোরে ভ্রমণ করে এবং বৈধ টিকিটধারী যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যে ভ্রমণে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এরা কখনোই টিকিট কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করে না। টিকিট দেখতে চাইলে তারা একত্রে ৮/১০ জন মিলিত হয়ে বিভিন্নভাবে হট্টগোল শুরু করে এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।
তারা সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী যারা টিকিট চেকিং করেন, তাদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ায় এবং বিভিন্ন ধরনের হুমকি-ধমকি দিয়ে থাকে। এরা একটি সংঘবদ্ধ চক্র। গত ৪ জুলাই বনলতা এক্সপ্রেস এবং ২৫ জুলাই সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনে বিনা টিকিটের যাত্রীরা রেলকর্মীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা করে।
এদিকে গত ৭ আগস্ট ‘সিল্কসিটি’ ট্রেনটি আব্দুলপুর স্টেশন থেকে ছেড়ে আসার পরে “ঙ” কোচে কিছু বিনা টিকিটের যাত্রী ওঠে। যাদেরকে ন্যূনতম ভাড়া ও জরিমানা আদায় করে নন-এসি কোচে চলে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং প্রাণনাশের হুমকি দিতে থাকে। পরবর্তীতে ট্রেনটি রাজশাহী স্টেশনে আসার পরে সংঘবদ্ধ চক্রটি রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর অতর্কিতভাবে সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা করে।
বক্তারা আরও বলেন, এসব ঘটনায় টিকিট চেকিং কার্যক্রমের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ কর্মস্পৃহা হারাচ্ছেন। যার কারণে সরকারি রাজস্ব আয়ের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর অতর্কিত সন্ত্রাসী হামলা ও সরকারি কাজে বাধাদান একটি ফৌজদারি অপরাধ। রেলওয়ে কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ওপর সন্ত্রাসী হামলার সঙ্গে জড়িতদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও বিচারের জোর দাবি জানান তারা।
Reporter Name 























