Dhaka ১১:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
দোয়ারাবাজারের খাসিয়ামারা নদীতে অবৈধ ড্রেজার তান্ডবে এলাকাবাসীর নাভিঃশ্বাস চরমে।  শ্যামনগরে মোবাইল কোর্ট ‘ভ্রাম্যমাণ আদালত’ পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ কারেন্ট জাল জব্দ এবং পরবর্তীতে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস বকশীগঞ্জে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ফিল্ড সুপারভাইজারের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন কালীগঞ্জের বাহাদুরশাদী বনিকপাড়া ড্রেন নির্মাণে অনিয়মের নিউজ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন মোঃ শওকত হোসেন সভাপতি প্রকল্প ভক্তদের সমালোচনার পর টিকটক লাইভে তরুণীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ রামপালে ৫২ শিশুর পুনরায় বিদ্যালয়মুখীতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের আনন্দ উদযাপন বিসিবির লেভেল-২ কোচিং পরীক্ষায় ফেল ২৪, পাস করলেন মাত্র ৮ জন প্রভাবশালী হলেও বিশেষ সুবিধা নয়, স্বজনপ্রীতির ব্যবসা চলবে না : অর্থমন্ত্রী আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম চাঁদপুরে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৩; আহত ১৫
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

সরিষাবাড়ীতে ভাড়ায় চালিত স্পিডবোটে দুর্ঘটনার শঙ্কা, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

  • Reporter Name
  • সময়: ০৮:৪২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৪ Time View

মোঃ মতিউর রহমান, সরিষাবাড়ী:


জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫ নং পিংনা ইউনিয়নের নয়াপাড়া-রাধানগর সানসেট পয়েন্ট এলাকায় যমুনা নদীতে বিনোদনের নামে বিভিন্ন স্টল, প্রসাধনী দোকানসহ ভাসমান রেস্টুরেন্ট ও নতুন সংযোজন করা হয়েছে দ্রুতগতির জলযান স্পিডবোট।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন খাবারের স্টলে ফুচকা, চটপটি, ভেলপুরি, চিকেন ফ্রাই, স্যান্ডউইচ, বার্গারসহ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পানীয় জাতীয় কোল্ড ড্রিঙ্কস মেয়াদোত্তীর্ণ ও উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা হয়। প্রসাধনী স্টলগুলোতেও একই অনিয়ম ও উচ্চ মূল্যে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয় দেখার বা তদারকির জন্য নেই কোনো নজরদারি।

এছাড়াও ইভটিজিং বন্ধ ও নিরাপত্তা প্রদানের জন্য নেই কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে যমুনা নদীতে বিনোদনের জন্য দ্রুতগতির স্পিডবোট জলযান। সেখানে নেই কোনো যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট, প্রশিক্ষণবিহীন চালক। নেই কোনো অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থার ছাড়পত্রও। স্পিডবোটে ওঠানামার জন্য নেই কোনো নিরাপদ জেটিঘাট।

এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। এ বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একান্ত সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  সুন্দর, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমুখী সমাজ প্রতিষ্ঠায় নৈতিক ও ইসলামী শিক্ষার প্রসার জরুরি: এমপি রবিউল বাসার
Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

দোয়ারাবাজারের খাসিয়ামারা নদীতে অবৈধ ড্রেজার তান্ডবে এলাকাবাসীর নাভিঃশ্বাস চরমে। 

সরিষাবাড়ীতে ভাড়ায় চালিত স্পিডবোটে দুর্ঘটনার শঙ্কা, প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ

সময়: ০৮:৪২:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

মোঃ মতিউর রহমান, সরিষাবাড়ী:


জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ৫ নং পিংনা ইউনিয়নের নয়াপাড়া-রাধানগর সানসেট পয়েন্ট এলাকায় যমুনা নদীতে বিনোদনের নামে বিভিন্ন স্টল, প্রসাধনী দোকানসহ ভাসমান রেস্টুরেন্ট ও নতুন সংযোজন করা হয়েছে দ্রুতগতির জলযান স্পিডবোট।

অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন খাবারের স্টলে ফুচকা, চটপটি, ভেলপুরি, চিকেন ফ্রাই, স্যান্ডউইচ, বার্গারসহ বাসি খাবার বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। এছাড়া পানীয় জাতীয় কোল্ড ড্রিঙ্কস মেয়াদোত্তীর্ণ ও উচ্চ মূল্যে বিক্রি করা হয়। প্রসাধনী স্টলগুলোতেও একই অনিয়ম ও উচ্চ মূল্যে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এসব বিষয় দেখার বা তদারকির জন্য নেই কোনো নজরদারি।

এছাড়াও ইভটিজিং বন্ধ ও নিরাপত্তা প্রদানের জন্য নেই কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতি। এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে যমুনা নদীতে বিনোদনের জন্য দ্রুতগতির স্পিডবোট জলযান। সেখানে নেই কোনো যাত্রীদের লাইফ জ্যাকেট, প্রশিক্ষণবিহীন চালক। নেই কোনো অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন সংস্থার ছাড়পত্রও। স্পিডবোটে ওঠানামার জন্য নেই কোনো নিরাপদ জেটিঘাট।

এমন পরিস্থিতিতে যেকোনো মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা। এ বিষয়ে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একান্ত সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সচেতন মহল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সরিষাবাড়ী থানার অফিসার ইনচার্জ ইকবাল হোসেন বলেন, বিষয়গুলো তদন্ত করে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ  ছাত্রীদের শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রমাণিত, তবুও অন্য স্কুলে বদলি ঝিকরগাছার জয়রামপুরের শিক্ষক আব্দুস সবুরকে বড় খলসীতে পাঠানোয় প্রশ্নের মুখে শিক্ষা অফিস