Dhaka ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরনাম:
শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত: আত্মশুদ্ধি ও মৈত্রীর বাণীতে আলোকিত বৌদ্ধ বিহারসমূহ অক্টোবরের প্রথম ২৪ দিনে রেমিট্যান্স ২৬ হাজার ৪১১ কোটি টাকা রাষ্ট্রীয় সফরে টোকিওর উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কালীগঞ্জে জমি দখলের চেষ্টা, গাছ কাটা ও মারধরের অভিযোগ বকশীগঞ্জে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদসহ  ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার “পিঁপড়ে ও হাতির যুদ্ধ” গল্প গ্রন্থের জন্য তুলতুল পেলেন “বাবুই” বেস্ট সেলার অ্যাওয়ার্ড ভোলাহাটে আমের ফেলে দেওয়া খোসা থেকে তৈরি হচ্ছে সুস্বাদু ‘ম্যাংগো পিল টি’, তিন বন্ধুর তাক লাগানো উদ্ভাবন বিশ্বম্ভরপুরে প্রথমবার মেধাবৃত্তি পরীক্ষা নিল সাযুক সংঘ ফসলি জমি রক্ষায় প্রয়োজনে জীবন দেবেন বুড়িচংয়ে ২৪ কৃষক পরিবার ডিমলা উপজেলা যুবদলের (ভারপ্রাপ্ত)আহবায়ক কমিটি গঠন
বিজ্ঞাপন :
জেলা-উপজেলা ও বিভাগীয় চীফ নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। সাংবাদিকতায় আগ্রহীরা দ্রুত যোগাযোগ করুন। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার ও নিবন্ধন প্রক্রিয়াধীন । সম্পদক-ইমদাদুল হক তৈয়ব-01711576603, সিভি পাঠান এই ইমেইলে- editor.manobjibon@gmail.com

১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদক ও প্রাইভেটকার ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ: হাতীবান্ধা থানার চার পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

  • Reporter Name
  • সময়: ১০:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬
  • ৯১ Time View

 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:


লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদক ও একটি প্রাইভেটকার ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে চার পুলিশ কর্মকর্তাকে থানা থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ (ক্লোজড) করা হয়েছে। অভিযোগের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তাকে হাতীবান্ধা থানা থেকে প্রত্যাহার করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার।

অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন— উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বোর্ডের হাট বাজারের পূর্ব পাশে এক ব্যক্তির বাড়িতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন ওই চার কর্মকর্তা। অভিযানে একটি প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল এবং বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, উদ্ধার করা আলামত থানায় না নিয়ে কর্মকর্তারা ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে যান। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ও মাদক ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার কিছু অংশ ধরা পড়ে বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি গোপন রাখতে এএসআই আব্দুল হাকিম ইউনিয়ন পরিষদের এক কর্মচারীর মোবাইল ফোন থেকে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলারও চেষ্টা করেন।

এ ঘটনার পরদিন ভবানীপুর গ্রামে আরেকটি অভিযানে গেলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশকে ফিরে আসতে হয়। এরপর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে ওসি আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তাকে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ  নবীনগরে সাংবাদিক রুহেলের ওপর কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকায় প্রেরণ

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Tag :
জনপ্রিয় নিউজ

শুভ প্রবারণা পূর্ণিমা উদযাপিত: আত্মশুদ্ধি ও মৈত্রীর বাণীতে আলোকিত বৌদ্ধ বিহারসমূহ

১০ লাখ টাকার বিনিময়ে মাদক ও প্রাইভেটকার ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ: হাতীবান্ধা থানার চার পুলিশ কর্মকর্তা ক্লোজড

সময়: ১০:৫৭:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬

 

লালমনিরহাট প্রতিনিধি:


লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় অভিযানে উদ্ধার হওয়া মাদক ও একটি প্রাইভেটকার ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে চার পুলিশ কর্মকর্তাকে থানা থেকে স্ট্যান্ড রিলিজ (ক্লোজড) করা হয়েছে। অভিযোগের ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজ সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) রাতে অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তাকে হাতীবান্ধা থানা থেকে প্রত্যাহার করে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতীবান্ধা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফুজ্জামান সরকার।

অভিযুক্ত কর্মকর্তারা হলেন— উপ-পরিদর্শক (এসআই) তুহিন, এসআই রিমন মিয়া, সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আব্দুল হাকিম এবং এএসআই লুৎফর রহমান।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ১৭ জুলাই গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার বোর্ডের হাট বাজারের পূর্ব পাশে এক ব্যক্তির বাড়িতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেন ওই চার কর্মকর্তা। অভিযানে একটি প্রাইভেটকার, একটি মোটরসাইকেল এবং বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, উদ্ধার করা আলামত থানায় না নিয়ে কর্মকর্তারা ভেলাগুড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে যান। সেখানে স্থানীয় কয়েকজনের উপস্থিতিতে ১০ লাখ টাকার বিনিময়ে জব্দকৃত প্রাইভেটকার ও মাদক ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

পরে ইউনিয়ন পরিষদের সিসিটিভি ফুটেজে ঘটনার কিছু অংশ ধরা পড়ে বলে জানা যায়। অভিযোগ রয়েছে, বিষয়টি গোপন রাখতে এএসআই আব্দুল হাকিম ইউনিয়ন পরিষদের এক কর্মচারীর মোবাইল ফোন থেকে সিসিটিভি ফুটেজ মুছে ফেলারও চেষ্টা করেন।

এ ঘটনার পরদিন ভবানীপুর গ্রামে আরেকটি অভিযানে গেলে স্থানীয়দের বাধার মুখে পুলিশকে ফিরে আসতে হয়। এরপর ঘটনাটি প্রকাশ্যে এলে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে ওসি আশরাফুজ্জামান সরকার বলেন, প্রাথমিক অভিযোগের ভিত্তিতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত চার পুলিশ কর্মকর্তাকে লালমনিরহাট পুলিশ লাইনে সংযুক্ত (ক্লোজড) করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

আরও পড়ুনঃ  বকশীগঞ্জে ২১৭ বোতল ভারতীয় মদসহ  ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার

পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তদন্ত চলমান রয়েছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত শেষে নিশ্চিত হওয়া যাবে।