নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও পর্যাপ্ত গ্যাস পাচ্ছেন না চালকেরা। কোথাও আবার গ্যাসের চাপ কম থাকায় স্টেশন বন্ধ রাখতে হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড-শেয়ারিংয়ের চালকেরা।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) সপ্তাহের শেষ কর্মদিবসে ভোররাত থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন সিএনজি ফিলিং স্টেশনে যানবাহনের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পরও অনেক চালক প্রয়োজনীয় পরিমাণ গ্যাস না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন। সরবরাহ বন্ধ থাকা ও স্বল্পচাপের কারণে কয়েকটি স্টেশনের কার্যক্রমও বন্ধ রয়েছে।
গ্যাস পেতেই চলে যাচ্ছে দিনের বড় সময়
গ্যাস সংকটের সরাসরি প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের চালকদের ওপর। সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও রাইড-শেয়ারিংয়ের সঙ্গে যুক্ত অনেক চালক জানিয়েছেন, গ্যাস সংগ্রহ করতেই দিনের বড় একটি সময় চলে যাচ্ছে।
ফলে নির্ধারিত সময়ে যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হচ্ছে না। কমে যাচ্ছে দৈনিক আয়, পাশাপাশি বাড়ছে সংসারের খরচ সামলানোর চাপ।
এলএনজি সরবরাহ বন্ধের প্রভাব
গ্যাস সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে পাইপলাইনে পর্যাপ্ত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি না থাকার বিষয়টি সামনে এসেছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ আগস্ট বুধবার দুপুর ৩টা থেকে এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এর ফলে দেশের সামগ্রিক গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হয়েছে। রাজধানীর সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতেও এর প্রভাব পড়েছে।
ভোগান্তিতে সাধারণ যাত্রীরাও
গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় শুধু চালকরাই নন, ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরাও। সিএনজিনির্ভর যানবাহন কম চলাচল করায় অনেক এলাকায় যাতায়াতে বাড়তি সময় লাগছে।
অন্যদিকে, গ্যাস নেওয়ার জন্য ফিলিং স্টেশনের সামনে দীর্ঘ সময় যানবাহন দাঁড়িয়ে থাকায় বিভিন্ন সড়কে বাড়তি যানজটের চাপও তৈরি হচ্ছে।
দ্রুত সমাধানের অপেক্ষায় নগরবাসী
চালক ও যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। সংকট দীর্ঘস্থায়ী হলে রাজধানীর গণপরিবহন ও যাতায়াত ব্যবস্থায় এর প্রভাব আরও বাড়তে পারে।
গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন রাজধানীর হাজারো চালক ও সাধারণ যাত্রী।
Reporter Name 





















